আবাহনীকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখলো জামাল

স্পোর্টসমেইল২৪ ডেস্ক স্পোর্টসমেইল২৪ ডেস্ক প্রকাশিত: ০৯:২৮ পিএম, ১০ এপ্রিল ২০১৯
আবাহনীকে হারিয়ে আশা বাঁচিয়ে রাখলো জামাল

আবাহনী লিমিটেডকে হারিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে সুপার সিক্সে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে আজ শেখ জামাল ৩ উইকেটে হারিয়েছে আবাহনীকে।

ফলে এই জয়ে ১১ খেলায় ৬ জয় ও ৫ হারে ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে উঠলো শেখ জামাল। লিগ পর্ব শেষে ১১ খেলায় ৮ জয় ও ৩ হারে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকলো আবাহনী।

আগামীকাল মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে শেখ জামালকে। কারন ইতোমধ্যে চারটি দল সুপার সিক্স নিশ্চিত করেছে। এরা হলো- লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, আবাহনী, প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাব। পঞ্চম ও ষষ্ঠ দল হবার দৌঁড়ে শেখ জামাল, মোহামেডান, গাজী ও শাইনপুকুর।

সাভারের বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে বোলিং বেছে নেয় শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। দ্বিতীয় বোলার হিসেবে আক্রমনে এসেই আবাহনীর ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেন শেখ জামালের অফ-স্পিনার নাসির হোসেন।

আবাহনীর টপ-অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে তুলে নেন নাসির। তার শিকার হন সৌম্য সরকার ১, জাহিদ জাভেদ ৩ ও নাজমুল হোসেন শান্ত শুন্য। ইনফর্ম ওপেনার জহিরুল ইসলামও আজ ব্যর্থ হয়েছেন। মাত্র ৯ রান করেন তিনি। তাকে শিকার করেন বাঁ-হাতি পেসার সালাউদ্দিন শাকিল।

১৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যাওয়া আবাহনীকে খেলায় ফেরানোর চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিথুন ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক। বড় জুটি করতে না পারলেও দলকে ৬০ রান এনে দেন তারা। ৩৩ রান করে মিথুন থেমে যান। এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৮ রানে করে বিদায় নিলে টেল-এন্ডারদের নিয়ে লড়াই শুরু করেন মোসাদ্দেক।

বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকে নিয়ে সপ্তম উইকেটে ৫০ ও অষ্টম উইকেটে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নিয়ে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। এতে দুইশ রানের কাছাকাছি পৌঁছে যায় আবাহনী। শেষ পর্যন্ত মোসাদ্দেকের সেঞ্চুরিতে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২১১ রানের সম্মানজনক স্কোর পায় আবাহনী। ইনিংসের শেষ ওভারে সেঞ্চুরি করা মোসাদ্দেক ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ১৩৯ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিলো। শেখ জামালের নাসির ১০ ওভারে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন।

জবাবে শুরুটা ভালো করতে পারেনি শেখ জামালও। ১২ রানে ২ উইকেট হারায় তারা। প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানে জুটি গড়েন শেখ জামালের ওপেনার ইমতিয়াজ হোসেন ও ভারতীয় অনুস্তুপ মজুমদার । ইমতিয়াজ ৩০ রানে থেমে গেলে ক্রিজে আসেন অধিনায়ক নুরুল হাসান। কিন্তু রানের খাতা খোলার আগেই ফিরেন তিনি। এতে চাপে পড়ে শেখ জামাল।

তবে পরবর্তীতে দলকে চাপমুক্ত করেন মজুমদার ও নাসির। পঞ্চম উইকেটে ৬০ রানের জুটি গড়ে শেখ জামালকে খেলার ফেরানোর পথ তৈরি করেন তারা। তবে ৭ রানের ব্যবধানে মজুমদার ও নাসির বিদায় নিলে ম্যাচে লাগাম টেনে ধরে আবাহনী। হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫৬ রানে আউট হন মজুমদার। নাসির করেন ৪৫ রান।

দলীয় ১৪৮ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও হাল ছাড়েনি শেখ জামালের টেল-এন্ডাররা। সাত নম্বরে নামা তানবীর হায়দার-জিয়াউর রহমান ও এনামুল হক (২) ৪৯তম ওভারে শেখ জামালের জয় নিশ্চিত করেন। জিয়াউর ১৬, তানবীর অপরাজিত ৩৮ ও এনামুল অপরাজিত ১৫ রান করেন। আবাহনীর সানজামুল ইসলাম-সাইফউদ্দিন ও সৌম্য ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হয়েছেন শেখ জামালের নাসির।


শেয়ার করুন :


আরও পড়ুন

ফেরার ম্যাচে শূন্য হাতে তাসকিন

ফেরার ম্যাচে শূন্য হাতে তাসকিন

২ হাজারে দেখা যাবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

২ হাজারে দেখা যাবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

সবার আগে সুপার সিক্সে রূপগঞ্জ

সবার আগে সুপার সিক্সে রূপগঞ্জ

তৃতীয় শতকের দেখা পেলেন মোসাদ্দেক

তৃতীয় শতকের দেখা পেলেন মোসাদ্দেক