প্রথম ম্যাচের ন্যায় দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটিং দুর্দশা কাটিয়ে উঠতে পারলো না বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল। দেড়শ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিমের ফিফটিতেও জয়ী হতে পারলো না টাইগাররা।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) চট্টগ্রামে সিরিজ রক্ষার ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ফিল্ডিং পেয়েছিল বাংলাদেশ। টস হারলেও বোলারদের দারুণ নৈপূণ্যে ক্যারিবীয়দের ১৪৯ রানে রাখে।
চট্টগ্রামের উইকেটে ১৫০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান করে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে দলের পক্ষে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম খেলেছিলেন ৬১ রানের ইনিংস।
টানা দ্বিতীয় জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এছাড়া টানা চার দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ের পর অবশেষে হারের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এ বছরের মে মাসে সর্বশেষ পাকিস্তান সফরে সিরিজ হেরেছিল টাইগাররা। এরপর শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস এবং আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে লিটন দাসের দল।
১৫০ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে সাবধানেই শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম ২ ওভারে ৭ রান তুলে টাইগাররা। চতুর্থ ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন সাইফ হাসান। পেসার জেসন হোল্ডারের শিকার হবার আগে ৫ রান করেন সাইফ।
এরপর অধিনায়ক লিটনের মারমুখী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৩৭ রান তুলতে পারে বাংলাদেশ। এরমধ্যে লিটনের অবদান ছিল ১২ বলে ২১ রান।
উইকেটে সেট হয়ে অষ্টম ওভারে স্পিনার আকিল হোসেনের বলে বোল্ড হন লিটন। একবার জীবন পেয়ে ৪ চারে ১৭ বলে ২৩ রান করেন তিনি।
৪৮ রানে লিটন ফেরার পর বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন ওপেনার তানজিদ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়। ২৮ বলে ৩৭ রান যোগ হবার পর বি”িছন্ন হন তারা। ১২ রানে পেসার শেফার্ডের শিকার হন হৃদয়।
এরপর তানজিদ ও জাকের আলির ৩০ বলে ৩২ রানের জুটিতে ১শ পার করে বাংলাদেশের রান। এই জুটিতে নবম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ৩৮ বল খেলা তানজিদ।
শেষ ৩ ওভারে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ৩৩ রান দরকার পড়ে বাংলাদেশের। ১৮তম ওভারে ৭ রানের বিনিময়ে তানজিদ ও জাকেরকে ফিরিয়ে ম্যাচের লাগাম টেনে ধরেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেফার্ড। ৩টি করে চার-ছক্কায় তানজিদ ৪৮ বলে ৬১ এবং জাকের ২ চারে ১৮ বলে ১৭ রান করেন।
১৯তম ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫ রান তুলে বাংলাদেশ। ফলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ২১ রানের সমীকরণ পায় টাইগাররা। কিš‘ শেষ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৬ রান তুলে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান করে স্বাগতিকরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের আকিল ২২ রানে ও শেফার্ড ২৯ রানে ৩টি করে এবং হোল্ডার ২০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন।
