অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক

স্পোর্টসমেইল২৪ স্পোর্টসমেইল২৪ প্রকাশিত: ০৮:৫০ এএম, ১৪ মে ২০২০
অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক শোক বার্তায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এ শোক প্রকাশ করেন।

এর আগে বিকেলে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শোক বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান আমাদের ৫২’র ভাষা আন্দোলন ও ৭১’র জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তী প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গেও তিনি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

তিনি বলেন, স্বাধীন রাষ্ট্রের সংবিধান রচনায় অবদান রাখাসহ বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তার অনুসন্ধানী গবেষণার জন্য তিনি পাথেয় হয়ে থাকবেন। তার মৃত্যুতে দেশ ও জাতি একজন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এবং পথ প্রদর্শককে হারালো।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শোক বার্তায় মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

বাংলা একাডেমির সভাপতি আনিসুজ্জামান হৃদরোগ, কিডনি ও ফুসফুসে জটিলতা, পারকিনসন্স ডিজিজ এবং প্রোস্টেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। শেষ দিকে তার রক্তেও ইনফেকশন দেখা দিয়েছিল।

অসুস্থতা বাড়তে থাকায় গত ২৭ এপ্রিল তাকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ৯ মে তাকে নেওয়া হয়েছিল ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে। সেখানেই তিনি মারা যান।

ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ছিলেন দেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, লেখক ও গবেষক, ভাষাসংগ্রামী, মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী, সংবিধানের অনুবাদক, দেশের সব প্রগতিশীল আন্দোলনের অগ্রবর্তী মানুষ।

জাতির বিবেকসম এ মানুষটি ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বশিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইমেরিটাস অধ্যাপক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন আনিসুজ্জামান। ১৯৮৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন।

এ ভূখন্ডে ধর্মান্ধতা ও মৌলবাদবিরোধী নানা আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত গণআদালতে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।


শেয়ার করুন :


আরও পড়ুন

করোনা আক্রান্ত কোচ আশিকুরের পাশে বিসিবি

করোনা আক্রান্ত কোচ আশিকুরের পাশে বিসিবি

করোনায় প্রাণ হারালেন জাপানের সুমো কুস্তিগীর

করোনায় প্রাণ হারালেন জাপানের সুমো কুস্তিগীর

আপনাদের এই ত্যাগ কোনদিন ভুলবো না : রুবেল

আপনাদের এই ত্যাগ কোনদিন ভুলবো না : রুবেল

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন হ্যান্সি ক্রোনিয়ের বাবা

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন হ্যান্সি ক্রোনিয়ের বাবা