সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং লিটন কুমার দাসের ফিফটিতে নিউ জিল্যান্ডকে ২৬৬ রানে লক্ষ্য দিলো বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে শান্ত ১০৫ এবং লিটন ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রামে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচেও টস হারে বাংলাদেশ। তবে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছিল টাইগারদের ব্যাটিং শিবির।
ইনিংসের দ্বিতীয় বলে দলীয় রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন ওপেনার সাইফ হাসান (০)। দলের অপর ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম (১) ফিরেন তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে।
দলীয় ৯ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর সৌম্য সরকারের সাথে উইকেটে জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে তাদের জুটিও দীর্ঘ হয়নি।
২৬ বলে দুটি চারের মারে ১৮ রান করে আউট হয় সৌম্য। ইনিংসের ১৮.৩ ওভারে দলীয় ৩২ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর শান্তর সাথে লিটনের জুটিতে পাল্টে যায় ব্যাটিং ইনিংসের দৃশ্য।
নাজমুল হোসেন শান্ত এবং লিটন দাসের জুটি থেকে আসে ১৬০ রানের ইনিংস। ফিফটির পর ৭৬ রানে আউট হলে তাদের জুটি ভাঙে। এ সময় ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন শান্ত।
চতুর্থ উইকেটে ১৭৮ বলে ১৬০ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরান শান্ত ও লিটন দাস। ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৯১ বলে ৭৬ রানে থামেন লিটন।
অন্যপ্রান্তে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। সেঞ্চুরির পর ১০৫ রানে আউট হন শান্ত। তার ১১৯ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ২টি ছক্কা ছিল।
৪৩তম ওভারে দলীয় ২২১ রানে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে শান্ত ফেরার পর তাওহিদ হৃদয়ের ২৯ বলে ৩৩ এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের ১৮ বলে ২২ রানের সুবাদে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
নিউজিল্যান্ডের উইল ও’রুর্কি ৩টি, বেন লিষ্টার ও জেইডেন লেনক্স ২টি করে উইকেট নেন।
