দ্বিতীয়বারের মতো ভারত সফরে এসে প্রথম দিনেই ভিন্ন চিত্র দেখলেন আর্জেন্টিনা এবং ইন্টার মিয়ামির সুপারস্টার লিওনেল মেসি। স্টেডিয়ামে প্রবেশ করলেও মেসিকে দেখতে না পেয়ে ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে ভাঙচুর চালিয়েছে ক্ষুব্ধ দর্শকরা।
তিন দিনের সফরে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দিনগত গভীর রাতে ভারত পৌঁছান মেসি। পরে শনিবার সকালে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মেসির জার্সি পরা এবং আর্জেন্টিনার পতাকা উড়িয়ে হাজার হাজার ভক্ত মেসিকে স্বাগত জানান। তবে মেসির চারপাশে কড়া নিরাপত্তার কারণে ভক্তরা তাকে এক ঝলক দেখতে হিমশিম খাচ্ছিলেন।
মেসি বেশ কিছুক্ষণ মাঠের চারপাষ ঘুরে বেড়ান এবং আগত দর্শকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়ান। তবে চারদিকে নিরাপত্তায় থাকা একাধিক ব্যক্তি থাকায় মেসিকে ঠিকভাবে দেখতে পারছিলেন না আগত দর্শকরা। এছাড়গা প্রত্যাশার চেয়ে অনেকটা আগেই স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান তিনি।
এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে হতাশ ভক্তরা। টিকিটের জন্য ১০০ ডলারেরও বেশি অর্থ করা দর্শকরা ক্ষুব্ধ হয়ে স্টেডিয়ামের আসন ছিঁড়ে ফেলেন, ট্র্যাকে পানির বোতল ছুঁড়ে মারেন, অনেকে মাঠে হামলা চালান এবং ব্যানার-তাঁবু ভাঙচুর করেন।
মেসির আগমণে মাঠে আসার কথা ছিল বলিউড বাদশাহ শাখরুখ খান ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির। হওয়ার কথা ছিল একটি প্রদর্শণী ম্যাচও। তবে বিশৃঙ্খলার কারণে শেষ পর্যন্ত কিছুই হতে পারেনি।
৩৭ বছর বয়সী ব্যবসায়ী নবীন চ্যাটার্জি এএফপিকে বলেন, “আমার কাছে মেসিকে দেখাটা একটা আনন্দের, স্বপ্নের মতো। কিন্তু স্টেডিয়ামের অব্যবস্থাপনার কারণে আমি এক ঝলক দেখার সুযোগও পাইনি।”
অজয় শাহ নামের আরেকজন ক্ষুব্ধ ভক্ত প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই)-কে বলেন, “মেসিকে দেখতে টিকিটের জন্য ৫,০০০ টাকা দিয়েছিলাম এবং আমার ছেলের সাথে মেসিকে দেখতে এসেছিলাম, রাজনীতিবিদরা নয়। পুলিশ এবং সামরিক কর্মীরা সেলফি তুলছিলেন এবং এর জন্য ব্যবস্থাপনা দায়ী।”
