বন্দর নগরী চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ক্রিকেট লিগ ও টুর্নামেন্ট না হওয়ায় মাঠে খেলার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি কাটিয়ে ক্রিকেটীয় কার্যক্রমে গতি ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ১৬ সেপ্টেম্বর শুরু হচ্ছে চার দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগকে চারটি জোনে ভাগ করে এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যেখানে কক্সবাজারের সাম্পান (Shampan) নামের দলের স্পনসর করছেন বিসিবি পরিচালক ও টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ।
টুর্নামেন্টে চট্টগ্রাম মহানগর ও চট্টগ্রাম জেলার ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে ইস্পাহানী কর্ণফুলী দল। এছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া দলের নাম সাম্পান।
নোয়াখালী জেলার ক্রিকেটারদের নিয়ে অংশ নেবে ভুলুয়া দল। দলটি নোয়াখালী জেলা কাউন্সিলের পৃষ্ঠপোষকতায় টুর্নামেন্টে খেলবে। অন্যদিকে, কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে ফর্টিস ময়নামতি দল।
নিজ জেলার (কক্সবাজার) সাম্পান দলের স্পন্সরের বিষয়টি নিজের ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করেছেন বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদঅ। তিনি লিখেন, “বাংলাদেশে একের পর এক স্থানীয় ক্রিকেট লিগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্রিকেটার, সংগঠক ও ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত খেলার সুযোগ কমে গেলে নতুন প্রতিভা উঠে আসার পথও কঠিন হয়ে যায়।”
“তৃণমূল পর্যায়ে নিয়মিত খেলা না হলে ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রতিভা ও সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ হারায়। স্থানীয় ক্রিকেটের এই সংকটের সময়ে আমাদের সবারই এগিয়ে আসা প্রয়োজন। কক্সবাজারের সাম্পান (Shampan) দলের স্পনসর হিসেবে আমি এবং আরও কয়েকজন ক্রিকেটপ্রেমী মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মাঠের ক্রিকেটকে থামতে দেওয়া যাবে না।”
বিসিবির এই পরিচালক আরও বলেন, “লিগ বন্ধ হতে পারে, কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও উদ্যোগ বন্ধ হবে না। ক্রিকেট বাঁচুক। স্থানীয় ক্রিকেট বাঁচুক। নতুন প্রতিভারা সামনে আসুক।”
টুর্নামেন্টের লিগ পর্বের ম্যাচগুলো ১৬, ১৭ ও ১৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর মাঠে গড়াবে ফাইনাল ম্যাচ।
