ব্যাটিং ব্যর্থতায় স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে ৯৯ রানের ব্যবধানে হারের স্বাদ নিলো বাংলাদেশ। এ ম্যাচে হারের পাশাপাশি তিন ম্যাচ সিরিজেও ২-১ ব্যবধানে হারলো টাইগাররা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) পাল্লেকেতে সিরিজের শেষ ও তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে কুশাল মেন্ডিসের সেঞ্চুরিতে ৭ উইকেটে ২৮৫ রানের সংগ্রহ গড়ে শ্রীলঙ্কা।
জবাবে লঙ্কান বোলারদের তোপের মুখে ৩৯.৪ ওভারে ১৮৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে ৭৮ বলে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেছেন তাওহিদ হৃদয়।
এ জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে শ্রীলঙ্কা ৭৭ রানে এবং দ্বিতীয় ম্যাচ বাংলাদেশ ১৬ রানে জিতেছিল। এছাড়া সফরের শুরুতে শ্রীলঙ্কার কাছে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।
শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই নিয়ে পঞ্চম ওয়ানডে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ। নিজেদের ওয়ানডেতে টানা তৃতীয় সিরিজ হার টাইগারদের। সর্বশেষ দুই সিরিজে আফগানিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছিল টাইগাররা।
জয়ের জন্য ২৮৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ২০ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩ চারে ১৩ বলে ১৭ রান করে পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে বোল্ড হন ওপেনার তানজিদ হাসান। তিন নম্বরে নেমে পেসার দুসমন্থ চামিরার বলে বোল্ড হন ৩ বল খেলে রানের খাতা খুলতে না পারা নাজমুল হোসেন শান্ত।
তৃতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে চাপমুক্ত করার চেষ্টা করেন আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহিদ হৃদয়। ৪টি বাউন্ডারিতে ২৮ রানে স্পিনার ওয়েলালাগের শিকার হন পারভেজ।
এরপর ক্রিজে এসে দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মিরাজ। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় শুরুটা ভালোই করেছিলেন তিনি। তবে ২৫ বলে ২৮ রান করে ওয়েলালাগের দ্বিতীয় শিকার হন মিরাজ। অধিনায়ক ফেরার পর এক প্রান্ত আগলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের নবম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন হৃদয়। তবে হাফ-সেঞ্চুরির পর চামিরার দুর্দান্ত ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ৫১ রানে থামেন হৃদয়।
দলীয় ১৫৩ রানে ষষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে হৃদয়ের আউটের পর লড়াই করতে পারেনি বাংলাদেশ। ৩৯.৪ ওভারে ১৮৬ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। শেষ দিকে জাকের আলির ২৭ রানে হারের ব্যবধান কমেছে বাংলাদেশের।
আসিথা ও চামিরা ৩টি করে এবং ওয়েলালাগে ও হাসারাঙ্গা ২টি করে উইকেট নেন।
ম্যাচ এবং সিরিজ সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস।