লাল কার্ড দেখে দশজনে পরিণত হলেও ধমে যায়নি যুক্তরাষ্ট্র। সান ফ্রান্সিসকোর মাঠে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনাকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে সহ-আয়োজক দেশটি। নকআউট পর্ব পার হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামনে শেষ ১৬-তে প্রতিপক্ষ এখন বেলজিয়াম।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকরা। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে ৪৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় যুক্তরাষ্ট্র। বসনিয়ার গোলরক্ষক ভাসিলজকে একা পেয়ে চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলকে ১-০ তে এগিয়ে দেন ফ্লোরিয়ান বালোগান।
এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়্যার্ধে খেলতে নামলে বড় ধাক্কাও খায় যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে বিপজ্জনকভাবে ফাউল করেন বালোগান। ভিএআর-এর সাহায্য নিয়ে বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেখায় রেফারি।
যুক্তরাষ্ট্র দশ জনের দলে পরিণত হরেও চাপ তৈরি করতে পারেনি বসনিয়া। উল্টো ৮২তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল আদায় করে নেয় স্বাগতিকেরা। চমৎকার এক ফ্রি-কিক থেকে বসনিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন মিডফিল্ডার মালিক টিলম্যান।
ম্যাচের শেষ দিকে এই গোলে আর পেরে উঠেনি বসনিয়া। অতিরিক্ত সময়ের স্নাযুচাপের ১০ মিনিট সফলভাবে সামলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। বদলি খেলোয়াড় এরমিন মাহমিচের শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
শেষ পর্যন্ত ইতিহাস গড়া জয় নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ অভিযানও টিকিয়ে রাখে তারা। অন্যদিকে, শেষ ৩২ থেকেই বিদায় নেয় বসনিয়া।
ম্যাচে ৫২ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের গোলবারের দিকে ১১ বার শট নিয়েছিল বসনিয়া, যেখানে টার্গেট শট ছিল ৪টি। তবে কোন শটেই সফলতার মুখ দেখেনি। বিপরীতে ৪৮ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখা যুক্তরাষ্ট্র ৯টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে টার্গেট শটের ২টিতেই সফলতা পেয়েছে।
নকআউট পর্ব পারি দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামনে শেষ ১৬-তে প্রতিপক্ষ এখন বেলজিয়াম। ৭ জুন ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।
