এ বছর বিপিএল হবে না: তমিম ইকবাল

স্পোর্টসমেইল২৪ স্পোর্টসমেইল২৪ প্রকাশিত: ০৭:৪৯ পিএম, ২০ আগস্ট ২০২৬
এ বছর বিপিএল হবে না: তমিম ইকবাল

চলতি বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল। বিসিবির অ্যাডহক কমিটির প্রধান হয়েই তামিম জানিয়েছিলেন, তার প্রধান কাজ হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের গৌরব ফেরানো। সেই ধারাবাহিতকতায় যেনতেনভাবে বিপিএল আয়োজনের পক্ষে নন তামিম।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মিরপুরে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নিয়ে গেম ডেভেলপমেন্ট ট্রফির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া অনুষ্ঠানে বিপিএল নিয়ে এক প্রশ্নের জাববে তামিম এ তথ্য জানান।

বিসিবি সভাপতি বলেন, “এ বছর বিপিএল মাঠে গড়াচ্ছে না। আমরা একটি নতুন ফর্মুলা নিয়ে কাজ করছি। যখন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে, তখন আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেব যে, ঘরোয়া ক্রিকেটের ক্যালেন্ডারটি কীভাবে সাজাচ্ছি। এটি বেশ ভিন্নধর্মী ও রোমাঞ্চকর হবে।”

আইসিসি-র নবগঠিত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন তামিম ইকবাল। তবে দায়িত্বের প্রথম বছরেই দেশের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বিপিএল আয়োজন করছেন না।

চলতি বছর বিপিএল না করার বিষয়ে তামিম বলেন, “আমি আগেই বেশ কয়েকবার ইঙ্গিত দিয়েছিলাম যে, বিপিএল এভাবে পরিচালনা করবো না। এখানে মূলত দুই-তিনটি বড় ইস্যু রয়েছে। প্রথমত, আমাদের মূল এজেন্ডা ছিল যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন সম্পন্ন করা।”

বিপিএল না হলে ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সে বিষয়ে তামিম বলেন, “আমি খেলোয়াড় থাকলে নিজেও হতাশ হতাম। তাদের আর্থিক ক্ষতি হবে এটা আমি অস্বীকার করি না। কিন্তু তারাও বোঝে যে, এই টুর্নামেন্টটা এমন হওয়া উচিত, যা নিয়ে বিসিবি গর্ব করতে পারে। গত কয়েক বছরে যা হয়েছে তা নিয়ে কি আমরা গর্বিত? হয়তো না।”

চলতি বছর বিপিএল না হলেও বিষয়টি এমন নয় যে, বিসিবি বিপিএল থেকে সরে যাচ্ছে। তামিম বলেন, “আমি কোনো তাড়াহুড়ো করতে চাই না। কাজটি সঠিকভাবে করতে চাই, সে জন্য যদি ৬ বা ১২ মাস সময়ও লাগে, আমি তা নেব।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। যারা নিয়ম লঙ্ঘন করেছে বা খেলাপি হয়েছে, সেই বিষয়গুলো সমাধান করতে হবে। বকেয়া পেমেন্ট বা ব্যাংক গ্যারান্টিসংক্রান্ত সমস্যাগুলো ধাপে ধাপে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা দেইনি। আমার মূল অগ্রাধিকার হলো পুরো সিস্টেমটিকে ঠিক করা, যাতে বিসিবি লাভজনক একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।”


বিষয়ঃ

শেয়ার করুন :