জাতীয় দলে সাত বিদেশি ফুটবলারকে খেলাতে জাল নথি ব্যবহার করার কেলেঙ্কারিতে মালয়েশিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পুরো নির্বাহী কমিটি পদত্যাগ করেছে। কয়েকদিন ধরে চলা নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে কমিটির সবাই পদত্যাগ করলেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মালয়েশিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন থেকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত বছরের জুনে এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে ৪-০ গোলে জয় পেয়েছিল মালয়েশিয়া। ওই ম্যাচের পর মালয়েশিয়ার হয়ে জাতীয় দলে খেলা সাত বিদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় নিয়ে তদন্ত শুরু করে ফিফা।
সাত ফুটবলার হলেন- স্প্যানিশ বংশোদ্ভূত গ্যাব্রিয়েল ফেলিপ অ্যারোচা, ফ্যাকুন্ডো টমাস গার্সেস এবং জন ইরাজাবাল ইরাউরগুই, আর্জেন্টিনায় জন্মগ্রহণকারী রদ্রিগো জুলিয়ান হোলগাডো এবং ইমানল জাভিয়ের মাচুকা, নেদারল্যান্ডসে জন্মগ্রহণকারী হেক্টর আলেজান্দ্রো হেভেল সেরানো এবং ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত জোয়াও ভিটর ব্র্যান্ডাও ফিগুয়েরেদো।
ফিফার নিয়মানুযায়ী বিদেশি জন্মগ্রহণকারী ফুটবল খেলোয়াড়দের সেই দেশগুলোতে প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেয়, যেখানে তাদের পিতা-মাতা বা দাদা-দাদি জন্মগ্রহণ করেছেন।
মালয়েশিয়া ওই সাতজনের দাদা-দাদি পেনাং এবং মালাক্কার মতো মালয়েশিয়ার শহরে জন্মগ্রহণ করেছেন বলে জানানো হয়। তবে ফিফার মতে, মালয়েশিয়া তাদের পূর্ব পুরুষদের জন্মসনদ জাল করেছে।
ফিফার তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, দাদা-দাদির আসল জন্ম সনদপত্রে দেখা গেছে যে, মালয়েশিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা সাত ফুটবলার আর্জেন্টিনা এবং স্পেনের মতো দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন।
প্রতারণা ধরা পড়ায় ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি খেলোয়াড়দের জরিমানা এবং ১২ মাসের জন্য খেলা স্থগিত করে। এছাড়া মালয়েশিয়া ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে ৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার জরিমানা করেছে।
