প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচজুড়ে একের পর এক আক্রমণ করলেও কাঙ্ক্ষিত গোল পেল না বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া একমাত্র গোলেই শেষ পর্যন্ত হারের হতাশা নিয়েই মাঠ ছেড়েছে হামজা চৌধুরীরা।
এই ম্যাচ দিয়ে এএফসি এশিয়া কাপ বাছাইপর্বের যাত্রা শেষ করলো বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের ছয় ম্যাচে এক জয় ও দুই ড্রতে মোট পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্ব থেকেই আগেই ছিটকে গিয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। যে কারণে আজকের ম্যাচটি ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। অন্যদিকে বাছাইপর্বে সি-গ্রুপ থেকে সিঙ্গাপুর আগেই চূড়ান্ত পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছিল।
বাছাইপর্বে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার দল ছয় ম্যাচের একটিতে জয়, তিনটিতে পরাজিত ও দুটিতে ড্র করেছে। সিঙ্গাপুর সমান সংখ্যক ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে উঠেছে চূড়ান্ত পর্বে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম লেগের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছিল বাংলাদেশ।
আজকের ম্যাচে জয়ের জন্য ক্ষুধার্ত বাংলাদেশ পুরো সময়টাই বেশ আক্রমনাত্মক ফুটবল উপহার দিয়েছে। কিন্তু যথাযথ ফিনিশিংয়ের অভাবে ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ১৫তম মিনিটে গোল প্রায়ই পেয়েই গিয়েছিল ক্যাবরেরার শিষ্যরা।
ডান দিক থেকে সাদ উদ্দিনের দুর্দান্ত ক্রসে ডি বক্সে অনেকটা ফাঁকায় দাঁড়ানো শমিত সোম বল জালে জড়াতে পারেনি। তার শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়।
৩১ মিনিটে কাউন্টার এ্যাটাক থেকে সিঙ্গাপুর ম্যাচে লিড নেয়। গ্লেন কিউয়ে মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে দৌড়ে এসে শক্তিশালী শট নেন। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মার্মা সেই শট রুখে দিলেও ফিরতি শটে ফরোয়ার্ড হারিস স্টুয়ার্ট কোন ভুল করেননি।
বিরতির পরও বাংলাদেশ আক্রমন করেই খেলতে থাকে। ৫৫ মিনিটে তপুর লম্বা থ্রো থেকে বাংলাদেশের সামনে একটি সুযোগ আসলেও সিঙ্গাপুরের রক্ষনভাগ তা ব্যর্থ করে দেয়।
একের পর এক আক্রমণ করেও বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত কাঙ্খিত গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।
