ফুটবল বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৪৮টি করেছে ফিফা। সেই সঙ্গে প্রতিযোগিতার ফরম্যাটেও পরিবর্তন এনে অতিরিক্ত যোগ্যতা অর্জনের পথ তৈরি করা হয়েছে। ফলে নতুন করে ‘রাউন্ড অব ৩২’ চালু করা হয়েছে, যেখানে গ্রুপ পর্বে তৃতীয় হয়েও থাকছে দ্বিতীয় পর্বে খেলার সুযোগ।
নতুন কাঠামো অনুযায়ী, আগের ৮টি গ্রুপের পরিবর্তে এবার করা হয়েছে ১২টি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে উঠবে। তবে তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলো সাথে সাথেই বিদায় নেবে না।
১৯৯৪ সালের পর প্রথমবারের মতো গ্রুপের তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর জন্যও নকআউট পর্বে উঠার সুযোগ রাখা হয়েছে। গ্রুপ পর্ব ২৭ জুন শেষ হওয়া পর ১২ গ্রুপের ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলের মধ্যে সেরা ৮টি দল নকআউট পর্বে জায়গা করে নেবে।
ফলে ১২টি গ্রুপের শীর্ষ দুই দলসহ মোট ২৪টি এবং সেরা ৮টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দল নিয়ে গঠিত হবে ‘রাউন্ড অব ৩২’। যেখানে ৩২টি দেশ নকআউট পর্বে খেলবে, যার ফলে আরও বেশি দল টুর্নামেন্টে দীর্ঘ সময় লড়াইয়ে টিকে থাকার সুযোগ পাচ্ছে।
তবে সব তৃতীয় স্থান অধিকারী দল পরের রাউন্ডে উঠতে পারবে না। ফিফা ১২টি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলকে একটি আলাদা সামগ্রি টেবিলে র্যাঙ্ক করবে এবং সেখান থেকে সেরা ৮টি দলই নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।
একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে নিচের মানদন্ডগুলো বিবেচনা করা হবে-
১। গোল ব্যবধান
২। মোট গোলসংখ্যা
৩। ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং
৪। ফিফা র্যাঙ্কিং।
ফিফার এমন সম্প্রসারিত ফরম্যাটের কারণে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দলগুলো এখন শুধু নিজেদের গ্রুপে শীর্ষ দুইয়ে থাকার জন্যই নয়, বরং টুর্নামেন্টের সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দলগুলোর মধ্যে জায়গা পাওয়ার জন্যও লড়াই করছে।
