বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, এই ব্যর্থতার পর তিনি অপরিসীম হতাশা অনুভব করছেন।
শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় কার্লো আনচেলত্তির দল। এর ফলে ব্রাজিলের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপার অপেক্ষা অন্তত ২৮ বছর পর্যন্ত দীর্ঘায়ীত হলো।
বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট জুড়েই চোটে জর্জরিত ছিল ব্রাজিল। আক্রমণভাগের খেলোয়াড় রদ্রিগো ও এস্তেভাও টুর্নামেন্টই খেলতে পারেননি। আর রাফিনিয়া ও লুকাস পাকেতা বিশ্বকাপ চলাকালীন চোটে পড়েন। তাদের অনুপস্থিতিতে দলের দায়িত্ব পড়েছিল ভিনিসিয়াসের কাঁধে।
দায়িত্বের চাপ অনেকটাই সামলারেও দলকে সেমিফাইনালের পথে নিতে পারেনি। ব্রাজিলের পাঁচ ম্যাচে চারটি গোল করেছেন তিনি এবং একটি অ্যাসিস্ট দিয়েছেন।
ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে ভিনিসিয়া লেখেন, “প্রায় চার বছর পর আবারও বিশ্বকাপের হতাশা নিয়ে কী লিখবো, তা ভাবতে বসেছি। সব বয়সের অসংখ্য মানুষকে আমাদের স্বপ্নকে সমর্থন করতে এবং আমাকে ভালোবাসা দিতে দেখেছি। তাই নীরব থাকা অন্যায় হতো। তবে নিজের মধ্যে ভাবার জন্য আমার কয়েক দিন সময় দরকার ছিল।”
তিনি আরও লিখেন, “জাতীয় দলের জার্সি পরা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব। আর বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা খুবই কঠিন। আমি জানি এর জন্য কত কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছিলাম, কতটা মনোযোগী ছিলাম এবং আপনাদের সবার জন্য ও আমার পরিবারের জন্য কতটা এই সাফল্য চেয়েছিলাম।”
“হতাশার অনুভূতিটা বিশাল। আমাদের এমন একটি দল ছিল, যারা আরও অনেক দূর যেতে পারত। কিন্তু আমরা পারিনি। আমি ক্ষমা চাইছি এবং আবারও বিশ্বসেরার আসনে ফিরতে আমাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।”
বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হতাশাজনক বিদায়ের পরও দেশটির ফুটবল কনফেডারেশন প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির ওপর আস্থা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
