ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে চাপে থেকে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। স্পেনের একের পর এক আক্রমণে অনেকটাই কোণঠাসা ছিল আর্জেন্টিনা। তবে কোন দলই গোলের দেখা পায়নি।
প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটের মধ্যে ৬৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখেছে স্পেন। এই সময়ের মধ্যে একের পর এক আক্রমণে আর্জেন্টিনার গোলপোস্টে ৩টি শট নিয়েছিল তারা, যার মধ্যে দুটি টার্গেট শট ছিল।
বিপরীতে ৩৬ শতাংশ সময় বল দখলে পাওয়া আর্জেন্টিনা স্পেনের গোলবারের একবারের জন্য শট নিতে পারেনি। উল্টো স্পেনের একের পর এক আক্রমণ সামলাতেই হিমশিম খেতে হয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।
ম্যাচের ৫ম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো স্পেন। তবে ইয়ামালের শট ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক মার্টিনেজ বাঁচিয়ে দেন। ফলে শুরুতেই বিপদ থেকে রক্ষা পান লিওনেল মেসিরা।
স্পেনের আক্রমণের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল মার্টিনেজ
ম্যাচের ৩৯তম মিনিটে আর্জেন্টিনাকে গোল হজম করা থেকে আবারও রক্ষা করেন মার্টিনেজ।২০ গজ দূর থেকে ওয়ায়ারজাবালের নেওয়া নিচু শট ঠেকিয়ে দেন মার্টিনেজ।
প্রথমার্ধে স্পেনের চেয়ে ফাউলও বেশি করেছে আর্জেন্টিনা। মেসিদের ৯টি ফাউলের বিপরীতে স্পেনের ছিল ৭টি। এর মাঝে একটি হলুদ কার্ড দেখেছে আর্জেন্টিনা।
স্পেনের আক্রমণ সামলানোর ব্যস্ততার মাঝে ম্যাচের ৪৪তম মিনিটে হলুদ কার্ড দেখা লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে তুলে নিলেন কোচ স্কালোনি। তার বদলি মাঠে নামানো হয় নিকোলাস ওতামেন্দিকে।
স্পেনের আক্রমণে চাপে থাকলেও প্রথমার্ধে গোল হজম করতে হয়নি আর্জেন্টিনা। ফলে গোলশূন্য ব্যবধানেই শেষ হয়েছে ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা।
