রাজধানীতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও উৎসবমুখর আবহে চার জাতি আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল টুর্নামেন্ট ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি’র পর্দা উঠলো। রবিবার (১৮ অক্টোবর) শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের (আইএইচএফ) সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় উদ্বোধনী দিনেই মাঠে গড়াচ্ছে দুটি ম্যাচ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় দুপুর ২টায় মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ ও নেপাল। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে লড়বে মালদ্বীপ ও ভারত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। উদ্বোধন ঘোষণার পর তিনি রঙিন বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আসরের সূচনা করেন। এরপর মাঠের কেন্দ্রস্থলে পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর দলীয় নৃত্য ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসর আয়োজন বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য গৌরবের। স্বাগতিক বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ ও নেপালের নারী সিনিয়র দলগুলোকে এক মঞ্চে নিয়ে আসার এ প্রয়াস আঞ্চলিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।
খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করে তিনি বলেন, অংশগ্রহণকারী নারী খেলোয়াড়রা শক্তি, অধ্যবসায় এবং ক্রীড়াপ্রেমের প্রতীক। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের তরুণ সমাজকে ক্ষমতায়িত করতে এবং সর্বস্তরে খেলাধুলায় নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নারী হ্যান্ডবলে চমৎকার অগ্রগতি হচ্ছে এবং এ ধরনের আন্তর্জাতিক আসর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অ্যাথলেটদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।
এ সময় সকল দলকে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব বজায় রেখে সেরা নৈপুণ্য প্রদর্শনের আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সভাপতি আবু মোহাম্মদ সরোয়ার ফরিদ বলেন, বাংলাদেশ আজ আবারও আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবলের এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে আবির্ভূত হয়েছে।
টুর্নামেন্টের নামকরণের তাৎপর্য তুলে ধরে ফেডারেশন সভাপতি বলেন, আমরা গর্বের সঙ্গে এই টুর্নামেন্টটি উৎসর্গ করেছি বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে। যিনি নারীর ক্ষমতায়ন, সমান অধিকার, মর্যাদা এবং সামগ্রিক সামাজিক অগ্রগতির প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসী -যা আমাদের জন্য চিরন্তন প্রেরণা।
