ফারুক আহমেদকে সরিয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক বানিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একইভাবে এনএসসি চাইলে বিসিবির পরবর্তী পরিষদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির বর্তমান সভাপতি। তবে বিসিবি নির্বাচনে তিনি অংশ নেবেন না।
আওয়ামী সরকার পতনের পর এনএসসি কোটায় সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদকে বিসিবি পরিচালক বানানো হয়। পরে বাকি পরিচালকদের ভোটে নাজমুল হাসান পাপনের পরিবর্তে বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে ৯ মাসের পর তাকে সারিয়ে আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে বোর্ড পরিচালক বানায় এনএসসি। পরে বোর্ড সভাপতি হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন বুলবুল।
বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর আমিনুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, সময় কম থাকায় বিসিবিতে তিনি টি-টোয়েন্টি ইনিংসের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। তবে বিসিবির নির্বাচন সামনে রেখে সুযোগ পেলে বিসিবির সভাপতি হিসেবে নিজের কাজ চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন তিনি।
রোববার (২৪ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জে ‘ক্রিকেট ডেভেলোপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া আমিনুল ইসলাম বুলবুল সাংবাদিকদের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় এমন তথ্য জানিয়েছেন। একই সাথে বিসিবির পরিচালক পদে নির্বাচন করবেন না বলেও পরিস্কার বার্তা দিয়েছেন।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “আমি বলে দিয়েছি, কখনো নির্বাচন করবো না (বিসিবি)। আমি কীভাবে নির্বাচন করবো? নির্বাচন করতে যে রসদগুলো লাগে সেটা আমার নেই। আমি ফ্রি ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ) থেকে এসেছি। তারা যদি আমাকে কন্টিনিউ করে থাকবো, চেষ্টা করবো।”
বিসিবিতে টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলা এবং দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজের কাজ সম্পর্কে তিনে বলেন, “বিভ্রান্তি আছে অনেক। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট তো ১২০ বলে খেলতে হয়। সেটাতো তো দুই ওভারে শেষ হয়ে যায় না। সবকিছু নির্ভর করবে পরিস্থিতির উপর।”
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চলতি বছরের আক্টোবরে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে এবং নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। গুঞ্জন রয়েছে, নির্বাচন না হয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন হতে পারে। তবে আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, নির্বাচন যথা সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।
আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, “ক্রিকেট পরিচালনা পর্ষদের প্রায়োরিটি হচ্ছে ক্রিকেট চালানো। নির্বাচন চার বছর পরপর হয়। সময় যেহেতু চলে এসেছে, সেটা ঠিক সময়েই হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা এখন যারা ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদে আছি, আমাদের ফোকাস ক্রিকেট। অবশ্যই নির্বাচন সঠিক সময়ে হবে। সেটার জন্য যে আমাদের নির্বাচন কমিশন এবং আনুসাঙ্গিক কাজ সেগুলো দ্রুত জানতে পারবেন।”