রাজশাহী জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালের দুই দল চূড়ান্ত। মোহনপুর উপজেলা ফুটবল দলের প্রতিপক্ষ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের মধ্যে ফাইনাল লড়াই।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল টাইব্রেকারে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দলকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে ফাইনালে উন্নীত হয়েছে।
রাতের ভারী বর্ষণ ও ম্যাচ চলাকালীন সময়ের বৃষ্টিতে মাঠ ভারী ও কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় উভয় দলের খেলোয়াড়দেরই যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। এতে ম্যাচের স্বাভাবিক সৌন্দর্যও নষ্ট হয়। তবে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই নিজ নিজ দলকে সমর্থন জানাতে স্টেডিয়ামে বিপুল সংখ্যক দর্শকের সমাগম ঘটেছিল।
ম্যাচের শুরুতে উভয় দলই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ করে খেলতে থাকলেও ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দলের পলাশ একাই জোড়া গোল করে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন। তবে বিরতির পর ম্যাচের চেহারা পাল্টে যায়।
ম্যাচে ৫-৭ মিনিটের ব্যবধানে পুঠিয়ার জামিল ও রাব্বানি দু'টি গোলই পরিশোধ করলে পুঠিয়া দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। উভয় দলই তৃতীয় গোলের সন্ধানে মরিয়া হয়ে উঠলে ম্যাচটি দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠে। তবে শেষ পর্যন্ত কোন দলই আর কোনো গোল করতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পুঠিয়া দলে কোন বিদেশি ফুটবলার দলভুক্ত না করলেও দুর্গাপুর দলের শক্তি বৃদ্ধি করতে মিশরের মোস্তফাকে দলভুক্ত করেছিল।
টাইব্রেকারে দুর্গাপুর উপজেলা ফুটবল দল ৩-১ গোলের ব্যবধানে পুঠিয়া উপজেলা ফুটবল দলকে পরাজিত করে ফাইনালে খেলার সু্যোগ করে নেয়।
ম্যাচটি উপভোগ করতে সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল ও জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান, এনডিসি মো. বোরহান উদ্দিন অন্তর, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা ফারজানা, পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিয়াকত সালমান, সহকারী কমিশনারবৃন্দ, জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মো. মোজাম্মেল হক, সাবেক ফুটবলার আলী আফতাব তপন, মুরাদুজ্জামান এলানসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মো. ফয়সাল আলম, রাজশাহী/আরএস
