দলীয় ফিফটি রানের আগেই দ্বিতীয় এবং শতক পূর্ণের আগে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। তবে এক প্রান্ত আগলে রাখা ওপেনার সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে ইন্ডিয়া।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শেষ দল হিসেবে সেমি-ফাইনাল খেলা নিশ্চিত করলো ইন্ডিয়া। গ্রুপ-১ থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে আগেই সেমি-ফাইনালে নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের এটাই ছিল শেষ ম্যাচ। দুই দলই দুই ম্যাচে একটি করে জয় পাওয়ায় ম্যাচটি ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। জয়ী দল সেমিতে পা রাখলেও হেরে যাওয়া দলের বাঁচতো বিদায় ঘণ্টা।
এমন সমিকরণে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম ইন্ডিয়া। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে কোন ব্যাটার ফিফটি করতে না পারলেও ১৯৫ রানের সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
দলের পক্ষে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪০ রানের ইনিংস খেলেন রোস্টন চেজ। এছাড়া শেষ দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে জেসন হোল্ডার অপরাজিত ৩৭ এবং রোভম্যান পাওয়েল ৩৪* রান করেন।
১৯৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি টিম ইন্ডিয়া। দলীয় ২৯ রানে প্রথম, ৪২ রানে দ্বিতীয় এবং ৯৯ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
শত রানের আগেই তৃতীয় উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রেখেছেন ওপেনার সঞ্জু স্যামসন।
একের পর এক সঙ্গী হারালেও অবিচল ছিলেন স্যামসন। চমৎকার ব্যাটিংয়ে বিশ্বকাপে রান তাড়ায় ভারতের সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ড গড়েন তিনি। এত দিন যা ছিল বিরাট কোহলির (৮২) দখলে।
জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। তবে শামার জোসেফের বলে ক্যাচ আউট হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া (১৭) ফিরে গেলে ওভারের বাকি চার বলে দুটি বাউন্ডারি মারেন নতুন ব্যাটার শিবাম দুবে। ফলে শেষ ওভারের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৭ রানে।
রোমারিও শেফার্ডের প্রথম দুই বলে ছক্কা-চার মেরে জয় নিশ্চিত করে স্যামসন। ১২ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মেরে ৫০ বলে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন ভারতের এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। দলকে জয় উপহার দেওয়ার ম্যাচ সেরা পুরস্কারটাও হাত হাতেই উঠেছে।
