আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটি ড্র হয়েছে। বাংলাদেশ পুরো চারদিন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে খেললেও পঞ্চম ও শেষ দিন ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে সফল হয়েছে আফগানিস্তান। ২ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র করে স্বাগতিকরা, যা আফগানিস্তানের কাছে প্রায় জয়ের সমান।
ম্যাচটিতে ব্যাট হাতে প্রথম ইনিংসে ফিফটি (৫৩) করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১০২) করেছেন উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার লিটন কুমার দাস। ফলে ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি। তবে ম্যাচ জিততে না পারার আক্ষেপ রয়েছে।
ম্যাচ শেষে লিটন দাস বলেন, “ম্যাচটা আমরা জিততে চেয়েছিলাম। কিন্তু ক্রিকেটে অনেক সময় এমনটা হয়েই থাকে।” নিজের ব্যাটিং সম্পর্কে বলেন, “একটা নেট সেশন করলেই আমার আত্মবিশ্বাস ফিরে আসে। উইকেটটা ফ্ল্যাট ছিল, প্রথম ইনিংসে সুযোগ হাতছাড়া (সেঞ্চুরি করার) করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে আর কোনো সুযোগই নষ্ট করতে চাইনি।”
সংযুক্ত আরব আমিরাতে গরমের মাঝে টানা পাঁচদিন খেলতে হয়েছে। এর আগে জাপানে এশিয়ান কাপে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে দলের অধিকাংশ ক্রিকেটার।
আবুধাবীর গরমের মাঝে খেলা কঠিন ছিল বলেই জানালেন লিটন দাস। বলেন, “বিষয়টা সত্যিই খুব কঠিন ছিল, কারণ প্রচণ্ড গরম ছিল। এই গরমে টানা পাঁচদিন খেলা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। গরমে আমি মূলত নিজের শক্তির সঠিক ব্যবহারের দিকেই মনোযোগ দিতে চেয়েছিলাম।”
ম্যাচটি জিততে না পারলেও বেশ কয়েকটি রেকর্ড অর্জন করেছেন টাইগার ক্রিকেটাররা। তার মধ্যে বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম কোন পেসারের হ্যাটট্রিক অর্জন। হাসান মাহমুদের হ্যাটট্রিক উইকেটে দ্বিতীয় আউটে ক্যাচবন্দি করেছিলেন লিটন দাস।
সেই ক্যাচটি নিজের কাছে সেরা বলেও উল্লেখ করেন লিটন কুমার দাস। বলেন, “হাসানের নেওয়া দ্বিতীয় উইকেটটি -অর্থাৎ হ্যাটট্রিক বলের সময়কার ক্যাচটি -আমার কাছে সেরা ছিল।”
