শেষ দিকে রিশাদ হোসেনের ব্যাটিং ঝড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২১৩ রানের সংগ্রহ গড়েছে বাংলাদেশ। অষ্টম উইকেট জুটিতে মিরাজের সাথে ব্যাট করতে নেমে ১৪ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন রিশাদ।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ানদের স্পিন বোলিংয়ের বিপরীতের নিয়মিতভাবেই উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা।
ইনিংসের পঞ্চম ওভারে দলীয় ২২ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে বাংলাদেশের। ১৬ বলে একমাত্র ছক্কায় ৬ রান করে সাজঘরে ফিরেন ওপেনার সাইফ হাসান। এরপর দলীয় ৪১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
১১তম ওভারের তৃতীয় বলে তাওহিদ হৃদয়, ১৯ বল খেলে ২ চারে ১২ রান করেন তিনি। এরপর ওপেনার সৌম্য সরকারের সাথে জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে বেশিদূর যেতে পারেনি সাবেক এই অধিনায়ক। দলীয় ৬৮ রানে ফিরেন শান্ত, ২১ বলে ১৫ রান করেন তিনি।
একপ্রান্তে আগলে ব্যাট করতে থাকা সৌম্যর সাথে জুটি গড়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে ১৭ রানে ফিরেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। প্রথম ম্যাচে ফিফটির কাছে গেলেও এ ম্যাচে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেননি তিনি। অঙ্কন ফিরলে ৯৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচে ৬ বলে ৪ রান করা সৌম্য সরকার ফিফটির কাছাকাছি গেলেও ভুল করে বসেন। ব্যক্তিগত ৪৫ রানে ক্যাচবন্দি হয়ে ফিরেন সৌম্য। ফলে ১০৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
পর পর উইকেট হারিয়ে রানের গতি বাড়াতে মিরাজের সাথে ষষ্ঠ এবং সপ্তম উইকেট জুটিতে ঝড়ো ইনিংস খেলার চেষ্টা করেন নাসুম আহমেদ এবং নুরুল হাসান সোহান। তবে দুজনের বড় ইনিংস খেলতে পারেনি।
২৬ বলে ১৪ রান করে নাসুম এবং ২৪ বলে ২৩ রান করে সোহান সাজঘরে ফিরলে ৪৬তম ওভার শেষে বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৬৩ রান। দলের এমন পরিস্থিতিতে দুইশ রানের নীচের বাংলাদেশের গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। তবে মিরাজের সাথে ঝড়ো ইনিংস খেলে সেই শঙ্কা থেকে রক্ষা করেন রিশাদ হোসেন।
শেষ দিকে ১৪ বল খেলে ৩টি ছক্কা ও ৩টি চারের মারে অপরাজিত ৩৯ রানে করেন গত ম্যাচে বল হাতে ৬ উইকেট শিকার করে ম্যাচ সেরা রিশাদ হোসেন। অন্যদিকে, ৫৮ বলে ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক মিরাজ।
