ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেল ব্রাজিল। ব্রাজিলের তিনটি গোলই আসে ম্যাচের প্রথমার্ধে, জোড়া গোল করেন ম্যাথিউস কুনহা এবং বাকি গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট অর্জন করে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ব্রাজিলের অবস্থান গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষে।
শুক্রবার (বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল) যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় কার্লো আনচেলত্তির দল। তারই ধারাবাহিকতায় ২৩তম মিনিটে প্রথম গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন ম্যাথিউস কুনহা।
দলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেওয়ার পর ম্যাথিউস কুনহা নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ৩৬তম মিনিটে। ম্যাথিউস কুনহার জোড়া গোলে হাইতির বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
দলে পক্ষে তৃতীয় গোলটিও আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে। যোগ করা সময়ে (৪৫+৩ মিনিট) ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এই লিড নিয়ে বিরতিতে যায় সেলেসাওরা।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলা চললেও আর কোন গোল হয়নি। ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে মার্টিনেলির শট বারে লেগে ফিরে আসলে গোল বঞ্চিত হয় ব্রাজিল।
এছাড়া ৭৮তম মিনিটে গোল করে রবিন হুডের মতো উদযাপন শুরু করলেও এন্ড্রিকের গোলটি অফসাইটের জন্যবাতিল হলে আবারও গোল বঞ্চিত হয় ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
ম্যাচটিতে বল দখলে ৫৭ শতাংশ সময় এগিয়ে থাকা ব্রাজিল মোট ৫৩৩টি পাস খেলেছে। যেখানে সফলতার হার ছিল ৮৯ শতাংশ। এছাড়া হাইতির পাস সংখ্যা ছিল ৩৮৭টি এবং সফলতার হার প্রায় সমান, ৮৪ শতাংশ।
প্রতিপক্ষে গোলবারে ব্রাজিল মোট ৯টি শট নিয়েছিল, যার মধ্যে ৫টি টার্গেট শট ছিল। শট নেওয়ার ক্ষেত্রে হাইতিও কম ছিল না, ৮টি শটের মধ্যে ৪টি অন টার্গেটে ছিল।
ম্যাচটিতে মোট ফাউলের সংখ্যা ছিল ২৭টি, যেখানে ব্রাজিল ১৩টি এবং হাইতি ১৪টি। তবে ব্রাজিলকে দেখতে হয়েছে একটি হলুদ কার্ড এবং হাইতির খেলোয়াড়রা দেখেছে তিনটি।
দুই ম্যাচ শেষে গ্রুপ ‘সি’-তে ১ জয় ও ১ ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। স্কটল্যান্ড ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় এবং টানা দুই হারে কোনো পয়েন্ট ছাড়াই চতুর্থ স্থানে হাইতি।
