জাপানের বিপক্ষে প্রথম গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরো সমতায় ফেরারোর পর অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে মার্তিনেল্লির গোলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
এ জয়ে বিশ্বকাপের শেস ১৬-তে উঠলো শিরোপা প্রত্যাশী ব্রাজিল। অন্যদিকে, দুর্দান্ত খেলেও ব্রাজিলের কাছে হেরে শেষ ৩২ থেকেই বিদায় নিলো এশিয়ার দল জাপান।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে জাপানকে ১-০ গোলে লিড এনে দেন কাইশু সানো। ফলে গোলের ব্যবধান ধরে রেখে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় জাপান।
২৯তম মিনিটে গোল করে জাপানকে ১-০ গোলে লিড এনে দেন কাইশু সানো, ছবি- ফিফা
বিরতিতে থেকে ফিরে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে ব্রাজিল। জাপানের জালে একের পর এক আক্রমণ সাজায় ব্রাজিল। পর পর দুইবার আক্রমণ প্রতিহত করতে পারলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মাগালাইয়েসের ক্রস থেকে কাসেমিরোর দারুণ এক হেডে সমতায় ফিরে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। সমতায় ফিরে আক্রমণে কমালেও দুই দলই সমানতালে খেলতে থাকে।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে আসে ব্রাজিলের জন্য সেই কাঙ্ক্ষিত সময়। অতিরিক্ত সময়ে (৯০+৬) গিমারাইজের বাড়ানো বল কোনাকুনি শটে জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে উৎসবে ভাসান মার্তিনেল্লি।
৫৬তম মিনিটে ব্রাজিলকে সমতায় ফেরান কাসেমিরো, ছবি- ফিফা
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ায় জাপানের পক্ষে আার কিছু করারও ছিল না। বাকি ৪ মিনিটের মতো খেলা চললেও আর কোন গোল হয়নি। ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
এই জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট দলটি রাউন্ড অব ১৬-এ পৌঁছে গেল। অন্যদিকে, পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে সাহসী লড়াইয়ের পর বিশ্বকাপ অভিযানের সমাপ্তি ঘটলো জাপানের।
