নরওয়েকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ড

স্পোর্টসমেইল২৪ স্পোর্টসমেইল২৪ প্রকাশিত: ০৯:৪২ এএম, ১২ জুলাই ২০২৬
নরওয়েকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নরওয়েকে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। ২-১ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেছেন জুড বেলিংহাম। এই জয়ে চতুর্থবারের মতো সেমি-ফাইনালে উঠলো ১৯৬৬ আসরের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড।

শনিবার (১১ জুলাই) দিনগত রাতে (বাংলাদেশ সময়) মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৩৬তম মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের গোলে এগিয়ে যায় নরওয়ে। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দারুণ ফিনিশে দলকে সমতা ফেরান জয়ের নায়ক বেলিংহাম।

তবে গোলটি নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। নরওয়ের দাবি, গোলের আগে গোলরক্ষক ওরইয়ান নিলান্ডের নেওয়া গোলকিক স্টেডিয়ামের স্কাইক্যামের তারে লেগে নিচে নেমে আসে। সেখান থেকেই বল পেয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে ইংল্যান্ড এবং শেষ পর্যন্ত গোল করে সমতায় ফেরে। যদিও রেফারি গোলটি বৈধ ঘোষণা করেন।

১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও নির্ধারিত সময়ে আর কোনো গোল হয়নি। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানে শুরুতেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

বদলি খেলোয়াড় মরগান রজার্সের দূরপাল্লার শট নিল্যান্ড ঠিকমতো তালুবন্দি করতে পারেননি। ফিরতি বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে জুড বেলিংহাম জালে বল পাঠান।

ম্যাচটি ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের দ্বৈরথ হিসেবে বিবেচিত হলেও প্রত্যাশিত সেই লড়াই বাস্তবে দেখা যায়নি।

নরওয়ে সমতা ফেরানোর জোর চেষ্টা চালানোর সময় অতিরিক্ত সময়ে হালান্ডকে তুলে নেওয়া হয়। এর আগে ৩৬তম মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের জোরালো শটে এগিয়ে গিয়েছিল নরওয়ে।

৪৪তম মিনিটে বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পায় ইংল্যান্ড। আলেকজান্ডার সোরলথ ও হালান্ড দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠলে সামনে ছিলেন শুধু জন স্টোনস। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সোরলথ ফর্মের তুঙ্গে থাকা হালান্ডকে ফাঁকা জায়গায় পাস না দিয়ে নিজেই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ফলে সম্ভাবনাময় সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়।

এর মূল্য চুকাতে হয় নরওয়েকে। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে নিল্যান্ডের গোল কিক ওপরে থাকা ক্যামেরার তারে লাগার পর শুরু হওয়া আক্রমণে বেলিংহাম বক্সে ঢুকে নিচু শটে গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান।

বিরতির পর নোনি মাদুয়েকে ও ডিক্লান রাইসের জায়গায় টাচেল মাঠে নামান বুকায়ো সাকা ও এবেরেচি এজেকে। সপ্তাহের শুরু থেকে অসুস্থতায় ভুগছেন আর্সেনাল মিডফিল্ডার রাইস। কিন্তু এই পরিবর্তনগুলো ইংল্যান্ডকে মিডফিল্ডে দুর্বল করে দেয়।

ক্রিস্টোফার আয়ারের শট বারে না লাগলে নরওয়ে হয়তো ম্যাচের ভাগ্য পালটাতে পারতো। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের হয়ে দুই গোল করেছন হালান্ড। তবে দলকে সবদিক থেকে আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন ইংল্যান্ড।



শেয়ার করুন :