এক ম্যাচ বাকি থাকতেই আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ষোড়শ আসরের সুপার সিক্স থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ দল। সুপার সিক্স পর্বে গ্রুপ-২’এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নিশ্চিত হয় টাইগার যুবাদের।
গ্রুপ পর্বে ৩ ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পেয়েছিল বাংলাদেশের। ভারতের কাছে হারের পর বৃষ্টির কারণে নিউজিল্যান্ডের সাথে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জিতে সুপার সিক্সে উঠে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্র যেহেতু সুপার সিক্সে উঠতে পারেনি, তাই ঐ জয়ের ২ পয়েন্ট পায়নি যুবারা। ভারত ও নিউজিল্যান্ড সুপার সিক্সে উঠায়, তাদের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে পাওয়া পয়েন্ট সুপার সিক্সে যোগ হয়। সেক্ষেত্রে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে পাওয়া ১ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্স শুরু করে বাংলাদেশ।
গ্রুপ পর্বের ২ ও সুপার সিক্সের ১ ম্যাচসহ, মোট ৩ ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাশ। সুপার সিক্সে আরও একটি ম্যাচ বাকি আছে তাদের। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলে বাংলাদেশের ৩ পয়েন্ট হবে। তারপরও টেবিলে শীর্ষ দুইয়ের মধ্যে থাকা ইংল্যান্ড ও ভারতকে টপকে যেতে পারবে না টাইগার যুবারা।
মোট ৩ ম্যাচ শেষে ইংল্যান্ডের ৬ পয়েন্ট এবং ২ ম্যাচে ভারতের আছে ৪ পয়েন্ট। গ্রুপ পর্ব থেকে ৪ করে পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্সে আসে ইংল্যান্ড ও ভারত।
২০২০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর টানা তিন আসরের সেমিফাইনালেও উঠতে পারেনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেয় বাংলাদেশ। ইনিংসের তৃতীয় বলে আউট হন ওপেনার জাওয়াদ আবরার। ৬ রান করেন তিনি।
দলীয় ৭১ রানে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে আজিজুল ফেরার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৩৮.১ ওভারে ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৪৬ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায় জুুনিয়র টাইগাররা। বিপরীতে ইংলিশ পেসার সেবাস্তিয়ান মরগান ২৮ রানে ৩ উইকেট নেন।
১৩৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২৪.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় ইংল্যান্ড। চতুর্থ উইকেটে রিউ ও কালিব ফ্যালকোনারের ২০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে জয়ের স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। এতে সেমি-ফাইনালের আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।
এখন নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ৩১ জানুয়ারি হারারেতে সুপার সিক্সে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ।
