অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর আউটটা না হলে দ্বিতীয় সেশনের পুরোটাই বাংলাদেশের পক্ষে থাকতো। টেস্ট ক্রিকেটে নবম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পরেই বলেই আউট হওয়া শান্তর জন্য হয়তো সেটি হয়নি। তবে চা বিরতিতে যাওয়ার আগে মুমিনুলকে সাথে নিয়ে দলীয় সংগ্রহ যোগ করেছেন ২০১ রান।
সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথম দিনের চা-বিরতি যাওয়ার আগে ৫৩ ওভারে ৩ উইকেটে ২০১ রান করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। শান্ত ১০১ রানে আউট হন। অন্যপ্রান্তে, ৬৪ রানে অপরাজিত আছেন মুমিনুল হক।
টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। ২টি করে বাউন্ডারিতে মাহমুদুল হাসান জয় ৮ এবং সাদমান ইসলাম ১৩ রানে থামেন।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর পাকিস্তানের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন মুমিনুল ও অধিনায়ক শান্ত। তৃতীয় উইকেটে ৯৫ বলে ৭০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম সেশন শেষ করেন তারা।
এ সময় বাংলাদেশের স্কোর ছিল- ২ উইকেটে ১০১ রান। মুমিনুল ৩১ এবং শান্ত ৩৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন মুমিনুল ও শান্ত। হাফ-সেঞ্চুরির পর রানের গতি বাড়ান শান্ত। ফলে চা-বিরতির আগ মুর্হূতে টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি।
সেঞ্চুরি পাওযার পরের ডেলিভারিতে পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আব্বাসের বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত। ১২টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৩০ বলে ১০১ রান করেন শান্ত।
শান্ত ফেরার চার বল পর চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। মুমিনুল ৬৪ ও মুশফিকুর রহিম শূন্য হাতে অপরাজিত আছেন।
পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী ও আব্বাস ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন।
