টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচেই প্রথমবারের মতো করা সেঞ্চুরিটাকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়। সিলেট টেস্টে ব্যাট হাতে নেমে বাংলাদেশের হয়ে রেকর্ড গড়লেন হৃদয়।
বাংলাদেশের হয়ে এর আগে ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরির পর সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল মুমিনুল হকের, ১৮১ রান। তবে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে এবার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে গেলেন তাওহিদ হৃদয়।
দিনের প্রথম সেশনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ৭ উইকেটে ১৮৪ রানে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। ওই সেশনে ৮৫ রানে ৪ উইকেট নেন ওয়ারিকান।
তবে তাইজুল ইসলামের সহায়তায় দক্ষতার সঙ্গে দলকে এগিয়ে নেন হৃদয়। জুটিতে বেশির ভাগ সময় নিজেই স্ট্রাইক ধরে রাখেন তিনি, যাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের সামনে তাইজুলকে বেশি পড়তে না হয়।
আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পুরস্কারও পান হৃদয়। চেজের বলে এক রান নিয়ে ১৭১ বলে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তৃতীয় ম্যাচেই প্রথমবারের মতো সেঞ্চুরির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন হৃদয়।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে একের পর এক বড় শট খেলেন। তার সাতটি ছক্কার মধ্যে ছয়টিই আসে সেঞ্চুরির পর। এতে সফরকারী বোলাররা বেশ হতাশ হয়ে পড়েন।
শেষ পর্যন্ত তাইজুলকে ২২ রানে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন ওয়ারিকান। মধ্যাহ্নভোজের পর এটিই ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের একমাত্র সাফল্য। ততক্ষণে হৃদয় ও তাইজুলের জুটিতে যোগ হয় ১১৭ রান। বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে অষ্টম উইকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি।
২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের ১৪৪ রানের জুটিই এ তালিকায় সবার ওপরে। এরপর তাসকিন আহমেদকে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রাখেন হৃদয়। বিরতি থেকে ফিরে প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে নিয়ে যান হৃদয়।
তাওহিদ হৃদয়ের আগে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন আরও তিনজন। তামিম ইকবাল একবার (২০৬), সাকিব আল হাসান একবার (২১৭) এবং মুশফিকুর রহিম তিনবার ডাবল সেঞ্চুরি করেছে। যেখানে একটিতে মুশফিকের অপরাজিত ২১৯ রানের ইনিংস রয়েছে।
