জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) রাজশাহী ভেন্যুতে তাইবুরের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ঢাকা বিভাগ। প্রথম দিনেই তারা তুলেছে ৩৬৮ রান, হাতে রয়েছে এখনো ৫টি উইকেট। দলের পক্ষে ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে অপরাজিত রয়েছেন তাইবুর।
দিনটা যে তাইবুরের দখলে সেটা বোঝা গিয়েছিল শুরুতেই। তাইবুর উইকেটে গিয়ে পর পর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলেন। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটার ও বিপ্লবের ব্যাটিংয়ে দিন শেষে ঢাকা বিভাগের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৫ উইকেটে ৩৬৮ রান।
রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার (৭ নভেম্বর) ২৮তম এনসিএল'র ৬ষ্ঠ পর্বের ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ঢাকার অধিনায়ক অংকন। ঢাকার নিয়মিত উদ্বোধনী ব্যাটার নাঈম সেখের অনুপস্থিতি খুব একটা সমস্যায় ফেলেনি ঢাকা বিভাগকে।
নাঈমের পরিবর্তে দলের গোড়াপত্তন করতে আসেন আনিসুল ইসলামের সাথে অনিয়মিত উদ্বোধনী ব্যাটার উইকেট রক্ষক শিবলী। ঢাকার এই উদ্বোধনী জুটি ৬৭ রান নিয়ে শুভসূচনা করেন। দলের ৬৭ রানে আনিসুল ব্যক্তিগত ৪৫ রানে রাকিবের বলে লং অফে সফর আলীর হাতে ধরা পরেন।
তিন নম্বরে ব্যাট করতে মাঠে যান ফয়সাল সরকার রায়হান। দলের ৭৫ রানের এই জুটি ভাঙ্গেন জীবন। দলীয় ১৪২ ও ব্যক্তিগত ৫৬ রানে জীবনের বলে উইকেটরক্ষক ইমরানর হাতে ক্যাচ দেন শিবলী। শিবলীর আউটের পর ঢাকার মিডিল অর্ডারের দুই ব্যাটার মার্শাল আইয়ুব ও অধিনায়ক অংকন দ্রুত আউট হলে ঢাকা কিছুটা চাপে পরে যায়।
দলীয় ১৫০ ও ১৫৪ রানে আউট হন এই দুই ব্যাটার। ঢাকার এই দুই ব্যাটারকে আউট করেন সফর আলী। এরপর তাইবুরকে নিয়ে ঢাকাকে বড় সংগ্রহের দিতে এগিয়ে নিয়ে যান ফয়সাল।
চা-বিরতির পর দলীয় ২২৪ রানে ফয়সাল ব্যক্তিগত ৭০ রানে তামিমের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর উইকেটে তাইবুরের সাথে যুক্ত হন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। দিন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এই জুটি থেকে আসে ১৪৪ রান।
তাইবুর ১৮৪ মিনিট ক্রিজে থেকে ১৫২ বল মোকাবেলা করেন অপরাজিত ১২৮ রান। অপরদিকে অপরাজিত থাকা আমিনুলের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রান। ৯০ ওভার শেষে ঢাকা বিভাগের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৩৬৮ রান।
খুলনার বোলারদের মধ্যে সফর আলী ৪৮ রানে ২ উইকেট লাভ করেন। এছাড়া রাকিব ৮৭ রানে, তামিম ৫০ রানে ও জীবন ৮৯ রানে ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
মো. ফয়সাল আলম রাজশাহী/আরএস
