বিশ্বকাপ ফাইনালে শুধু স্পেন ও আর্জেন্টিনার লড়াই নয়, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্টেডিয়ামে বসে ফাইনাল ম্যাচ দেখা ছাড়াও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দিবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
বিশ্বকাপ চলাকালে এটিই হবে ট্রাম্পের প্রথম মাঠে উপস্থিতি। তবে টুর্নামেন্ট জুড়ে বিভিন্ন মন্তব্য ও কর্মকাণ্ডের কারণে আগেই আলোচনায় ছিলেন তিনি।
এসব বিতর্ক সত্ত্বেও ট্রাম্প ২০২৬ বিশ্বকাপকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ক্রীড়া আয়োজন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারে ফিফার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, টুর্নামেন্টটি যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ফাইনাল দেখতে ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প, ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এবং মেলানিয়ার বাবা ভিক্টর নাভস।
ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ফাইনালকে ঘিরে কূটনৈতিক ব্যস্ততাও থাকবে তুঙ্গে। স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ, স্পেনের রাজপরিবারের সদস্য, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শেইনবাউম এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নিরও। ফলে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতেও বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের ফাইনাল।
ট্রাম্পের সফরকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্টেডিয়ামের আকাশসীমায় ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে এবং প্রেসিডেন্টের যাতায়াত নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
গত বছর একই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্প। সেবার ট্রফি দেওয়ার পরও বিজয়ী দলের সঙ্গে মঞ্চে অবস্থান করায় তিনি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন। এবার বিশ্বকাপের ফাইনালে তার উপস্থিতি নতুন করে সবার নজর কাঁড়ছে।
