বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরেও শেষ চারে খেলা হলো না ঢাকা ক্যাপিটালসের। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে হেরে গিয়ে প্লে অফের দৌড়ে থেকে ছিটকে পড়েছে দলটি। তবে ঢাকাকে হারিয়ে শেষ চারে খেলা নিশ্চিত করেছে রংপুর।
গত আসরে প্রথমবারের মতো যুক্ত হওয়া ঢাকা ক্যাপিটালস লিগ পর্বে ২টি ম্যাচ জিতেছিল। সে সময় দলের ‘মালিকানায় থাকা’ শাকিব খান জানিয়েছিলেন, দ্বাদশ আসরে জয়ের জন্যই শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবেন। তবে ৯ ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট অর্জন করা ঢাকা সামনে প্লে অফ খেলার আর কোন সুযোড়গ থাকলো না।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে রংপুর। ৮৫ বল খেলে দলকে ১২৬ রানের সূচনা এনে দেন মালান ও হৃদয়। এবারের বিপিএলে উদ্বোধনী জুটিতে এটিই সর্বোচ্চ রান।
পাওয়ার প্লেতে ৫০ ও ১২তম ওভারে ১শ রান স্পর্শ করে মালান-হৃদয় জুটি। ১৫তম ওভারের প্রথম বলে ঢাকার পেসার তাসকিন আহমেদের বলে আউট হন মালান। টি-টোয়েন্টিতে ৭৫তম হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংসে ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪৯ বলে ৭৮ রান করেন তিনি।
১৮তম ওভারের শুরুতে দলীয় ১৫৯ রানে আউট হন টি-টোয়েন্টিতে ২১তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেওয়া হৃদয়। ৪৬ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬২ রানের ইনিংস সাজান হৃদয়।
এরপর কাইল মায়ার্সের ১৬ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ২৪ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮১ রানের সংগ্রহ পায় রংপুর। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ৩৩ রান ২ উইকেট এবং তাসকিন ও মারুফ মৃধা ১টি করে উইকেট নেন।
১৮২ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি ঢাকা। রংপুরের দুই পেসার ফাহিম আশরাফ ও নাহিদ রানার বোলিং তোপে ৭৪ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা।
এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের সাথে ২৫ এবং ইমাদ ওয়াসিমকে নিয়ে ৪৮ রানের জুটি গড়েন সাত নম্বরে নামা সাইফুদ্দিন। এতে বড় হারের লজ্জা থেকে রক্ষা পায় ঢাকা।
মিঠুন ২৫ ও ওয়াসিম ২০ রানে থামলেও ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেন সাইফুদ্দিন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৩১ রানের প্রয়োজনে ৩টি ছক্কায় ১৯ রানের বেশি তুলতে পারেননি সাইফুদ্দিন। ফলে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭০ রান করে ম্যাচ হারে ঢাকা।
৩টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৩০ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফুদ্দিন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন ওপেনার উসমান খান। রানা ১১ রানে ৩ এবং আশরাফ ৪২ রানে ২ উইকেট নিয়ে রংপুরের গুরুত্বপূর্ণ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। ম্যাচ সেরা হন মালান।
