প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপে খেলতে নেমে দারুণ একটি ম্যাচ উপহার দিয়েছে বাংলাদেশ। শিরোপাধারী চীনের বিপক্ষে দারুণ খেলেছে ঋতুপর্ণারা। তবে নিজেদের ভুলে প্রথমার্ধে পিছিয়ে যাওয়ায় হার দিয়ে এশিয়ান কাপ মিশন শুরু করেছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে ২-০ গোলের ব্যবধানে হেরে গেছে বাংলাদেশের মেয়রা। দুটি গোলই প্রথমার্ধের শেষ সময়ে হয়েছে। হারলেও বাংলাদেেরে লড়াকু মানসিকতায় ম্যাচ শেষে প্রশংসা ও মুগ্ধতা ছড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত ম্যাচে গোল করেন ওয়ায় শুয়াং ও ঝ্যাং রুই। তবে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রায় ১০০ ধাপ পিছিয়ে থাকা তরুণ বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে জয় পেতে চীনকে বেশ পরিশ্রমই করতে হয়েছে।
চার বছর আগে মুম্বাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে নবম শিরোপা জিতেছিল চীন, যা তাদের টুর্নামেন্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাফল্য। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ছন্দ হারানো দলটি অস্ট্রেলিয়ান কোচ আন্তে মিলিসিচের অধীনে পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
টুর্নামেন্টে নবাগত বাংলাদেশের কার্যত হারানোর কিছু নেই। ফলে অনেকটাই নির্ভার হয়ে মাঠে নেমেছিল আফঈদা খন্দকারের দল। শুরু থেকেই দুর্দান্ত পারফরমেন্স উপহার দেওয়া বাংলাদেশ এক সময় এগিয়েও যেতে পারতো।
ঋতুপর্ণা চাকমার দারুণ বাঁকানো শট চীনের গোলরক্ষক চেন চেনের আঙুলের ডগায় লেগে কর্নার হলে বাংলাদেশ গোলবঞ্চিত হয়। তবে চীনের গতিময় ফুটবলের সাথে তাল মিলিয়ে খেলতে কিছুটা হলেও হিমশিম খেয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের।
চীন একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোল পায়নি। বিরতির ঠিক আগে ওয়াং শুয়াংয়ের দূরপাল্লার শট জালে জড়ালে চীন এগিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর বক্সের বাইরে থেকে ঝ্যাং রুইয়ের আরেকটি দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।
পর পর দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও ইংলিশ কোচ বাটলারের অধীনে বাংলাদেশ হাল ছাড়েনি। চীনের অব্যাহত আক্রমণের মাঝেও তারা সংগঠিত রক্ষণ গড়ে তুলে ব্যবধান যাতে না বাড়ে সে চেষ্টাই করেছে। ফলে দ্বিতীয়ার্ধে আর কোন গোল হজম করতে হয়নি।
